বিকাশ, নগদ, রকেট — যে মোবাইল ব্যাংকিং আপনার কাছে আছে, সেটা দিয়েই 1111ber-এ ডিপোজিট করুন। কোনো ঝামেলা নেই, কোনো অপেক্ষা নেই।
1111ber-এ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো সাপোর্ট করা হয়। আপনার পছন্দের মাধ্যমে নিরাপদে ডিপোজিট করুন।
সর্বনিম্ন: ৳ ১০০ | সর্বোচ্চ: ৳ ৫০,০০০
তাৎক্ষণিক ক্রেডিট
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং। পার্সোনাল ও এজেন্ট উভয় নম্বর থেকে পাঠানো যায়।
সর্বনিম্ন: ৳ ১০০ | সর্বোচ্চ: ৳ ৫০,০০০
তাৎক্ষণিক ক্রেডিট
পোস্ট অফিসের ডিজিটাল আর্থিক সেবা। সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী। উদ্যোক্তা নম্বর থেকেও ডিপোজিট করা যায়।
সর্বনিম্ন: ৳ ১০০ | সর্বোচ্চ: ৳ ৪০,০০০
তাৎক্ষণিক ক্রেডিট
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। নিরাপদ ও বিশ্বস্ত। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করা যায়।
সর্বনিম্ন: ৳ ২০০ | সর্বোচ্চ: ৳ ৩০,০০০
১–৫ মিনিট
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মোবাইল সেবা। কম ব্যবহারকারী থাকায় লেনদেন অনেক সময় দ্রুত হয়।
সর্বনিম্ন: ৳ ১,০০০ | সর্বোচ্চ: ৳ ৫,০০,০০০
১৫–৩০ মিনিট
বড় পরিমাণ ডিপোজিটের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার আদর্শ। NPSB ও RTGS সাপোর্টেড।
সর্বনিম্ন: ৳ ৫০০ | সর্বোচ্চ: সীমাহীন
নেটওয়ার্ক নির্ভর
USDT (TRC20/ERC20) ও Bitcoin সাপোর্টেড। আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
1111ber-এ ডিপোজিট প্রক্রিয়া এত সহজ যে প্রথমবারেও কোনো সমস্যা হবে না। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
1111ber-এর ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
ড্যাশবোর্ড থেকে "ডিপোজিট" বাটনে ক্লিক করুন। উপরের মেনু থেকেও সরাসরি যাওয়া যাবে।
বিকাশ, নগদ, রকেট বা আপনার পছন্দের মাধ্যম বেছে নিন। প্রতিটি মাধ্যমের লিমিট পাশেই দেখা যাবে।
কত টাকা ডিপোজিট করতে চান তা লিখুন। আপনার মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর দিন এবং নির্দেশ অনুযায়ী পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
পেমেন্ট সফল হলে সাথে সাথে আপনার 1111ber অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স যোগ হয়ে যাবে। এখন গেম শুরু করুন!
আজই নিবন্ধন করে প্রথম ডিপোজিট করুন — আপনার ডিপোজিটের সমান বোনাস পাবেন। ৳ ৫০০ জমা দিলে ৳ ১,০০০ দিয়ে খেলুন।
এখনই নিবন্ধন করুন
পেমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথে ব্যালেন্স যোগ হয়। কোনো ম্যানুয়াল রিভিউ লাগে না।
সমস্ত লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার আর্থিক তথ্য কখনো শেয়ার হয় না।
1111ber কোনো ডিপোজিট ফি নেয় না। যত টাকা পাঠাবেন, পুরোটাই আপনার ব্যালেন্সে যাবে।
ডিপোজিটে কোনো সমস্যা হলে বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট সবসময় পাশে আছে।
| পেমেন্ট পদ্ধতি | সর্বনিম্ন | সর্বোচ্চ | প্রক্রিয়াকরণ | ফি | ২৪/৭ |
|---|---|---|---|---|---|
| বিকাশ | ৳ ১০০ | ৳ ৫০,০০০ | তাৎক্ষণিক | বিনামূল্যে | |
| নগদ | ৳ ১০০ | ৳ ৫০,০০০ | তাৎক্ষণিক | বিনামূল্যে | |
| রকেট | ৳ ১০০ | ৳ ৪০,০০০ | তাৎক্ষণিক | বিনামূল্যে | |
| উপায় | ৳ ২০০ | ৳ ৩০,০০০ | ১–৫ মিনিট | বিনামূল্যে | |
| ব্যাংক ট্রান্সফার | ৳ ১,০০০ | ৳ ৫,০০,০০০ | ১৫–৩০ মিনিট | বিনামূল্যে | |
| ক্রিপ্টো | ৳ ৫০০ | সীমাহীন | নেটওয়ার্ক নির্ভর | বিনামূল্যে |
অনলাইন গেমিংয়ে সবচেয়ে বিরক্তিকর অভিজ্ঞতাগুলোর একটি হলো ডিপোজিটে দেরি। টাকা পাঠিয়েছেন, কিন্তু ব্যালেন্স আসছে না — এই পরিচিত হতাশা থেকে 1111ber আপনাকে মুক্তি দিতে চায়। এখানে প্রতিটি ডিপোজিট তাৎক্ষণিকভাবে প্রক্রিয়া হয়। বিকাশ থেকে টাকা পাঠানোর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনার অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স চলে আসে।
এই দ্রুততার পেছনে রয়েছে 1111ber-এর নিজস্ব পেমেন্ট গেটওয়ে যা সরাসরি বিকাশ, নগদ ও রকেটের API-এর সাথে সংযুক্ত। মাঝখানে কোনো তৃতীয় পক্ষ নেই, তাই লেনদেনে কোনো অতিরিক্ত বিলম্ব হয় না।
বাংলাদেশে বিকাশের গ্রাহক সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, তাই 1111ber-এও বিকাশ ডিপোজিট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। বিকাশ পার্সোনাল নম্বর থেকে সর্বোচ্চ ৳ ৫০,০০০ পর্যন্ত ডিপোজিট করা যায়। সেন্ড মানি অপশন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট নম্বরে টাকা পাঠালেই হয়। ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করুন — পরে দরকার হতে পারে।
বিকাশ এজেন্ট নম্বর থেকেও ডিপোজিট করা যায়, তবে সেক্ষেত্রে সাপোর্টে জানানো ভালো। অনেক সময় এজেন্ট নম্বর থেকে পাঠানো টাকা ম্যানুয়ালি কনফার্ম করতে হয়, যা ৫–১০ মিনিট বেশি সময় নিতে পারে।
নগদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর ক্যাশআউট চার্জ বিকাশের তুলনায় কম। যারা নিয়মিত বড় পরিমাণে লেনদেন করেন তাদের জন্য নগদ অনেকটাই সাশ্রয়ী। 1111ber-এ নগদ থেকে সর্বনিম্ন ৳ ১০০ এবং সর্বোচ্চ ৳ ৫০,০০০ পর্যন্ত এক লেনদেনে ডিপোজিট করা যায়।
নগদ উদ্যোক্তা নম্বর থেকেও ডিপোজিট করার সুবিধা রয়েছে। তবে নিজের পার্সোনাল নম্বর ব্যবহার করলে ট্র্যাকিং সহজ হয় এবং কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট অ্যাকাউন্টের একটি বিশেষ সুবিধা হলো এটি সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে সংযুক্ত করা যায়। ফলে ব্যাংক থেকে রকেটে টাকা আনা এবং সেখান থেকে 1111ber-এ ডিপোজিট করা — পুরো প্রক্রিয়াটাই খুব মসৃণ হয়।
রকেট থেকে সর্বোচ্চ ৳ ৪০,০০০ পর্যন্ত এক লেনদেনে ডিপোজিট করা যায়। দিনে একাধিকবার ডিপোজিট করা সম্ভব, তবে রকেটের দৈনিক লেনদেন সীমা মাথায় রাখতে হবে।
যারা একসাথে বড় পরিমাণ ডিপোজিট করতে চান, তাদের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার সবচেয়ে উপযুক্ত। 1111ber-এ ব্যাংক ট্রান্সফারে সর্বোচ্চ ৳ ৫,০০,০০০ পর্যন্ত ডিপোজিট করা যায়। NPSB ব্যবহার করলে সাধারণত ১৫–৩০ মিনিটের মধ্যে ক্রেডিট হয়।
ব্যাংক ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ট্রানজেকশন রেফারেন্স নম্বর অবশ্যই সংরক্ষণ করুন এবং পেমেন্টের স্ক্রিনশট নিন। কোনো সমস্যা হলে এই তথ্যগুলো সাপোর্ট টিমকে দিলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যাবে।
1111ber-এ ডিপোজিট করার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। প্রথমত, সবসময় অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে ডিপোজিট করুন। ফিশিং সাইট থেকে সাবধান থাকুন — URL বার দেখে নিশ্চিত হন যে আপনি সঠিক সাইটে আছেন।
কখনো নিজের পেমেন্ট পিন বা পাসওয়ার্ড কাউকে শেয়ার করবেন না, এমনকি কাস্টমার সাপোর্টকেও নয়। 1111ber-এর কোনো কর্মী কখনো আপনার পিন বা পাসওয়ার্ড চাইবে না। এ ধরনের কোনো অনুরোধ পেলে সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্ট করুন।
প্রতিটি সফল ডিপোজিটের পরে একটি কনফার্মেশন SMS বা পুশ নোটিফিকেশন আসবে। যদি পেমেন্ট সফল হওয়ার পরেও ৫ মিনিটের মধ্যে ব্যালেন্স না আসে, তাহলে লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করুন।
1111ber-এর বোনাস সিস্টেম অনেকটাই উদার। প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস মানে হলো আপনি যত টাকা জমা দেবেন, তার সমান বোনাস পাবেন। সর্বোচ্চ ৳ ১০,০০০ পর্যন্ত বোনাস পাওয়া যায় প্রথম ডিপোজিটে।
বোনাস পেতে হলে ডিপোজিট করার আগেই প্রোমো সেকশন থেকে বোনাস অফারটি সক্রিয় করতে হবে। ডিপোজিটের পরে বোনাস অ্যাক্টিভেট করা যায় না। প্রতি সপ্তাহে রিলোড বোনাস পেতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিপোজিট করতে হয়, যার বিস্তারিত প্রোমো পেজে পাওয়া যাবে।
মাঝে মাঝে নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে পেমেন্ট সফল হলেও ব্যালেন্স আসতে দেরি হতে পারে। এই ক্ষেত্রে আতঙ্কিত না হয়ে নিচের পদক্ষেপগুলো নিন। প্রথমে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং পেজ রিফ্রেশ করুন। তারপরও না আসলে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপে ট্রানজেকশন হিস্ট্রি চেক করুন।
যদি মোবাইল ব্যাংকিং থেকে টাকা কেটে গিয়ে থাকে কিন্তু 1111ber-এ ব্যালেন্স না আসে, তাহলে ট্রানজেকশন আইডি নিয়ে লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করুন। সাপোর্ট টিম সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে সমস্যাটি সমাধান করবে।
নিজের বাজেট নির্ধারণ করুন এবং সেই সীমার মধ্যে থাকুন। গেমিং বিনোদনের জন্য — আয়ের উৎস হিসেবে নয়।
বিস্তারিত জানুন